বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫

হাসিনার মৃত্যুদণ্ডে অস্থির নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ

ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে



হাসিনার মৃত্যুদণ্ডে অস্থির নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ


লেখক: কৃষ্ণ এন. দাস ও সাম জাহান

১৮ নভেম্বর ২০২৫


সারসংক্ষেপ


রায় ঘোষণার পরই ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ


হাসিনাকে ভারতে থেকে ফেরত আনার চাপে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে টানাপোড়েন


আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ থাকলে গণবিক্ষোভের হুমকি দিয়েছেন হাসিনার ছেলে


রাজনৈতিক অস্থিরতায় পোশাক রপ্তানি ও অর্থনীতি ঝুঁকিতে



ঢাকা, ১৯ নভেম্বর (রয়টার্স) — নির্বাসিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার রায়ের পরও গত বছরের ছাত্রনেতৃত্বাধীন সরকারবিরোধী আন্দোলন ও সহিংস দমন-পীড়নে ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশের ক্ষত এখনও নিরাময় হয়নি।


প্রতিবাদে নিহতদের পরিবার অবিলম্বে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দাবি করছে। সরকার চাপ দিচ্ছে ভারতের ওপর, যেখানে হাসিনা গত বছর পালিয়ে গিয়েছিলেন।


রায়ের পর আদালতে উল্লাস ঝড়লেও নিহতদের স্বজনরা হাসিনার ফাঁসি দ্রুত কার্যকরের দাবি তোলে। কিন্তু তাকে ফেরত আনার প্রচেষ্টা একের পর এক ব্যর্থ হওয়ায় ঢাকার সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্কেও টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে।


এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন— ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যদি আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা না ওঠে, তবে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হবে। এতে ১৭ কোটি জনসংখ্যার দেশটি অস্থির হয়ে উঠতে পারে, বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর কাছে পোশাক রপ্তানি ব্যাহত হতে পারে, এবং ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের আইএমএফ সহায়তার ওপর নির্ভরশীল অর্থনীতি ঝুঁকিতে পড়তে পারে।


২০২৪ সালের আন্দোলনে জাতিসংঘের হিসাবে প্রায় ১,৪০০ মানুষ নিহত হয় এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রায় থমকে যায়।


“সত্যিকারের বিচার তখনই হবে যখন তার গলায় ফাঁসির দড়ি পরানো হবে,” বলেন আব্দুর রব, যার ছেলে আন্দোলনে নিহত হয়েছিল। ব্যানারে তিনি দেখাচ্ছিলেন ফাঁসির দড়ি ও লেখা— “খুনি হাসিনা”।

“তখনই আমরা জাতির ইতিহাসের এই কালো অধ্যায় মুছে ফেলতে পারব।”


২০ বছরের শাসন— যার মধ্যে টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় ছিলেন— শেষে হাসিনা রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যা দেন। তার ভাষায়, “গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেটহীন একটি অনির্বাচিত সরকার পরিচালিত সাজানো ট্রাইব্যুনালের রায়।”



---


ভারতের সাথে সম্পর্কে উত্তেজনা


আসন্ন নির্বাচন দীর্ঘ প্রতীক্ষিত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিএনপি আবার ক্ষমতায় ফিরবে— দুই দলের এই পালাবদল দেশের ইতিহাসে বহু পুরোনো।


এদিকে ছাত্রনেতাদের প্রতিনিধিত্বে ও নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার হাসিনাকে দেশে ফেরানোর চ্যালেঞ্জের মুখে।


রায়ের পর ভারতকে সরকার জানায়—

“হাসিনাকে ফেরত না পাঠানো অত্যন্ত অমিত্রতাপূর্ণ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবমাননা।”

ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলে—

“উভয় দেশের বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী এটি ভারতের বাধ্যবাধকতা।”


তবে এর আগের সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে।


নয়াদিল্লি জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের শান্তি, গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে সব পক্ষের সাথে গঠনমূলকভাবে কাজ করবে।


ভারত সরকারের এক সূত্র জানায়, প্রত্যর্পণ একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া— ট্রাইব্যুনালের নথি পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হতে হয় যে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া, সুষ্ঠু প্রতিনিধিত্ব ও বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য ছিল কি না। নথি ছাড়া ভারত এগোতে পারে না। তাছাড়া মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হলে চুক্তির ছাড় দেওয়ার বিধানও আছে।


রাজনৈতিক বিশ্লেষক জ্যোতি রহমান বলেন,

“তাদের দারুণ বন্ধুত্বপূর্ণ হতে হবে না, কিন্তু চিরতরে শত্রুতায়ও থাকতে পারে না। হাসিনা যতদিন ভারতে আছেন, বাংলাদেশের পক্ষে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা কঠিন হবে। ভারতও সেটি বুঝে।”



---


সহিংসতার আশঙ্কা


রায়ের আগেই ঢাকায় সহিংসতা বাড়ে— রবিবার কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ হয় এবং ১২ নভেম্বর একদিনেই ৩২টি বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। বেশ কিছু বাসেও আগুন দেওয়া হয়। এসব নাশকতার অভিযোগে আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


হাসিনার ছেলে ও উপদেষ্টা ওয়াজেদ বলেন, যদি আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা না ওঠে তাহলে তারা জাতীয় নির্বাচন বাধা দেবে।

তিনি বলেন,

“বড় বিক্ষোভ হবে... মুখোমুখি সংঘর্ষ হবে।”


তিনি জানান, তার মা দেশের সব নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, এবং তিনিও নিয়মিত যোগাযোগে আছেন।

“আমাদের শত-শত নেতাকর্মী আছে, কোটি সমর্থক আছে। তারা ক্ষুব্ধ।”


অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, ২০২৪ সালের সহিংসতায় জড়িত থাকার কারণে আওয়ামী লীগ এখনও “আইনগতভাবে নিষিদ্ধ”, এবং “সহিংসতার উসকানি” দিলে দলের অবস্থান আরও কঠিন হবে।


সরকারের ভাষায়,

“আমাদের মূল লক্ষ্য জীবন ও সম্পদের সুরক্ষা, এবং নির্বাচনের আগে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সংযম, আনুপাতিক ব্যবস্থা ও সংলাপকে অগ্রাধিকার দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”


২৪ বছর বয়সী আমান উল্লাহ, যিনি আন্দোলনে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, বলেন—

“আমি আর দেখতে পাই না। কিন্তু যেদিন শুনব তাকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে, সেদিনই আমার জন্য ঈদের চেয়েও বড় আনন্দ হবে।”



--- (রয়টার্স) 

সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫

আন্দোলনে আহত শিক্ষক মারা গেলেন

ছবি সংগ্রহীত 

 

আন্দোলনে আহত শিক্ষিকা ফাতেমা আক্তারের মৃত্যু


রাজধানীতে শিক্ষক আন্দোলনে আহত চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ঝিনাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ফাতেমা আক্তার মারা গেছেন। রোববার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর মিরপুর অলক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।


ফাতেমা আক্তার ১০ম গ্রেডসহ তিন দফা দাবিতে চলমান শিক্ষক আন্দোলনে অংশ নেন। আন্দোলন চলাকালে পুলিশের নিক্ষেপ করা সাউন্ড গ্রেনেডের শব্দে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কয়েকদিনের চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।


সন্ধ্যার পর তাঁর মরদেহ নিজ এলাকা ঠাকুরচরে নেওয়া হয় এবং কর্মস্থল ও গ্রামের বাড়িতে জানাজা সম্পন্ন হয়।


পরিবার ও সহকর্মীদের শোক


ফাতেমা আক্তার উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার ঠাকুরচর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম সুরুজ মোল্লা। স্বামী ডি এম সোলেমান একই বিদ্যালয়ের শিক্ষক।


সহকর্মী, স্থানীয় শিক্ষক নেতা এবং অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে ছুটে যান। তারা বলেন, আন্দোলনের সময় সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের পর থেকে ফাতেমা আক্তার অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং এরপর আর সেরে উঠতে পারেননি।


উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুল বাতেন জানান, ফাতেমা আক্তারের স্বামী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আন্দোলনের দিন থেকেই তিনি শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।


ফাতেমা আক্তারের মৃত্যুতে শিক্ষক সমাজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

চলমান শিক্ষক আন্দোলনে প্রথম মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে 

সহকর্মীদের মধ্যে।



#TeacherProtest #FatemaAkter #DhakaNews #BangladeshNews #BreakingNews #Chandpur #PrimaryTeacher #EducationNews #SoundGrenade #ProtestUpdate #LiveNews #BanglaNews #NewsUpdate #BanglaEdition24 

বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫

শেখ হাসিনাকে নিয়ে মীর স্নিগ্ধর পোস্টের জবাবে যা বললেন শাওন

ছবি সংগ্রহীত 

মীর স্নিগ্ধর শেখ হাসিনাকে নিয়ে পোস্ট ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়। সেই পোস্টের জবাবে এবার যা বললেন শাওন, ছড়িয়ে পড়ছে তার মন্তব্য।



বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জুলাই অভিযানের শহীদ মীর মাহফুজুর রহমানের (মুগ্ধ) যমজ ভাই মীর মাহবুবুর রহমান (স্নিগ্ধ) সম্প্রতি এক বিতর্কিত মন্তব্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট দলের প্রধান শেখ হাসিনাকে ফাঁসিতে না ঝোলানো পর্যন্ত তার নাম সর্বদা মানুষের মনে ঘুরবে।

তবে স্নিগ্ধর এই মন্তব্যকে ‘স্ক্রিপ্ট লেখা’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঢালিউড অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে স্নিগ্ধের স্ট্যাটাসটির স্ক্রিনশট শেয়ার করে লেখেন, “আপনার স্ক্রিপ্ট কে লিখে দিয়েছে ভাইয়া? অতিদ্রুত একজন ভালো স্ক্রিপ্টরাইটার নিয়োগ দিন, প্লিজ। এই স্ক্রিপ্ট ‘লিটনের ফ্ল্যাট’-এর রচয়িতার চেয়েও খারাপ।”


এর আগে মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ এক বক্তব্যে আপসহীন নেত্রী শেখ হাসিনাকে ঘৃণার চোখে উল্লেখ করেছিলেন। এ নিয়ে সামাজিক নেটিজেনরা মন্তব্য করেছেন যে, এই পোস্ট মূলত তার পূর্ববর্তী বক্তব্যের ব্যাখ্যাই।


স্নিগ্ধ ফেসবুকে লিখেছেন, “অন্তরে ঘৃণা নিয়ে যে নামটির জন্ম হয়, সেটি হলো শেখ হাসিনার নাম। এটি শুধু আমার নয়; বরং বাংলাদেশের সব সাধারণ মানুষ, যারা গত ১৬ বছরে অত্যাচারিত হয়েছে—এমন পরিবারগুলোর।” তিনি আরও বলেন, “যতদিন এই খুনি হাসিনাকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলানো না হয়, ততদিন তার নাম সকাল-বিকাল, সজ্ঞানে বা স্বপ্নেও মাথায় ঘুরবে। যতবার এই নাম মুখে আসে, মনে রাখবেন—তা কেবল ঘৃণা থেকেই আসে। এই খুনি শেখ হাসিনা যতদিন ফাঁসির দড়িতে না ঝুলছে, ততদিন শান্তি নেই।”



#SheikhHasina #MirSnigdha #Shaon #FacebookNews #ViralPost #BangladeshNews #BanglaEntertainment #SocialMediaBuzz #TrendingNow #BanglaNewsPortal
#banglaedition24 #banglaeditin247

মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫

নীলফামারী-১ আসনে এনসিপির রাশেদের মনোনয়ন, বিএনপির ফাঁকা আসনে নতুন সমীকরণ

 

ছবি সংগ্রহীত 




বিএনপির ফাঁকা রাখা নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র মনোনয়ন নিয়েছেন জেলা শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র ও কলামিস্ট রাশেদুজ্জামান রাশেদ (মোঃ রাশেদ ইসলাম)।


📍 স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে রাশেদ জানান, গতকাল (১০ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ — সামান্তা শারমিন, ড. আতিক মুজাহিদ, আবু সাঈদ লিওন ও জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আসিফ ইকবাল মাহমুদ।




🎙️ রাশেদের বক্তব্য: “রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, সেবার জায়গা” মনোনয়ন সংগ্রহের পর রাশেদ বলেন,


> “১৩ তারিখের মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে। আমি দলের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। সুযোগ পেলে এনসিপির পক্ষ থেকে পরিবর্তন আনতে চাই।

রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, সেবার জায়গা। ডোমার ও ডিমলার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে নেওয়াই আমার মূল লক্ষ্য।”



তিনি আরও বলেন,


> “শিক্ষা, কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতে বৈষম্য দূর করাই আমার অঙ্গীকার। জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা পেলে কাজের মাধ্যমেই সেই আস্থা ফিরিয়ে দেব।”




📘 রাশেদের পরিচিতি: সমাজসেবায় সক্রিয় ও তরুণ নেতৃত্ব

দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়ভাবে সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষা সহায়তা ও যুব কর্মসংস্থানমূলক কাজে সক্রিয় রাশেদুজ্জামান রাশেদ স্থানীয়ভাবে একজন জনপ্রিয় তরুণ নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি একজন লেখক ও কলামিস্ট হিসেবেও পরিচিত।



মনোনয়ন প্রক্রিয়া


এনসিপির পক্ষ থেকে ৬ নভেম্বর থেকে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়েছে, যা চলবে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত।

ফরমের মূল্য ১০ হাজার টাকা, তবে জুলাই আহত ও নিম্ন আয়ের প্রার্থীদের জন্য মাত্র ২ হাজার টাকা রাখা হয়েছে।



🧩 রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট


৩ নভেম্বর বিএনপি তাদের ২৩৭ আসনে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলেও নীলফামারী-১ ও নীলফামারী-৩ আসন ফাঁকা রাখে।

এতে ধারণা করা হচ্ছে, এনসিপির সঙ্গে বিএনপির আসন সমঝোতার ইঙ্গিত রয়েছে।


এদিকে নীলফামারী-১ আসনে বিএনপির শীর্ষ দুই নেতা—

ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন ও আহম্মেদ বাকের বিল্লাহ মুন এখনও প্রার্থী হওয়ার আশায় মাঠে রয়েছেন।


অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী হিসেবে মওলানা আব্দুস সাক্তার-এর নাম ঘোষণা করেছে।



🔹 রাশেদের আহ্বান


> “আমি জনগণের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। ডোমার-ডিমলাকে আধুনিক, স্বনির্ভর ও উন্নত অঞ্চলে রূপ দিতে পারলে সেটাই হবে আমার সাফল্য।”



রাশেদুজ্জামান রাশেদের বার্তা-

> “নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে সকলের নিকট দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী।”





🔖 #NCP #RasheduzzamanRashed #NilphamariElection #BNP #Politics #BangladeshNews #ডোমারডিমলা #জাতীয়নাগরিকপার্টি #Election2025 #NCPBangladesh #banglaedution24 #banglaedition247 

রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫

জয়পুরহাটে জামায়াতে যোগ দিলেন বিএনপির অর্ধশতাধিক কর্মী-সমর্থক

ছবি সংগ্রহীত 

 

জয়পুরহাটের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে বিএনপি থেকে জামায়াতে ইসলামীতে অর্ধশতাধিক কর্মী ও সমর্থকের যোগদান। শনিবার (৮ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের বাসুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ যোগদান অনুষ্ঠিত হয়।



অনুষ্ঠানে নবাগতদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন জয়পুরহাট-২ (কালাই-ক্ষেতলাল-আক্কেলপুর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী রাশেদুল আলম সবুজ। স্থানীয় পর্যায়ে এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। এলাকাবাসী ছাড়াও দুই দলের নেতা-কর্মীদের ভিড় ছিল অনুষ্ঠানস্থলে।


বিএনপি থেকে জামায়াতে যোগ দেয়া এক কর্মী জানান, আমরা অনেক বছর ধরে বিএনপির রাজনীতি করেছি। আগে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতীকে ভোট দিয়েছি। কিন্তু এবার জয়পুরহাট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফাকে মনোনয়ন না দেয়ায় আমরা হতাশ হয়েছি। তাই জামায়াতের নীতি ও প্রার্থীর প্রতি আস্থা রেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।




স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যারা জামায়াতে যোগ দিয়েছেন, তাদের বেশিরভাগই ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের সক্রিয় বিএনপি কর্মী ছিলেন।


জয়পুরহাট-২ আসনে (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) জামায়াত ইসলামি মনোনীত প্রার্থী রাশেদুল আলম সবুজ সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা জামায়াত ইসলামিকে ভালোবেসে আমাদের দলে যোগ দিচ্ছেন, এতে আমি সত্যিই আবেগাপ্লুত। তাদের সঙ্গে নিয়ে আমরা জয়পুরহাট-২ আসনসহ সারাদেশে কুরআনের আদর্শে বাংলাদেশ গড়তে চাই।


 

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক আদর্শে ভিন্নতা থাকলেও সবার লক্ষ্য একটি-দেশ ও জনগণের কল্যাণ।

স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে এই দলবদল জয়পুরহাট-২ আসনে রাজনৈতিক ভারসাম্যে নতুন মাত্রা আনতে পারে। বিএনপি প্রার্থী মনোনয়ন না পাওয়ায় কর্মীদের হতাশা জামায়াতের পক্ষে কাজ করছে বলেও অনেকে মনে করছেন।



স্থানীয় এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, জয়পুরহাট-২ আসনে জামায়াতে ইসলামির সাংগঠনিক উপস্থিতি আগেও ছিল। এখন বিএনপির কর্মীদের যোগদানে তাদের মাঠপর্যায়ে অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে।




কালাইয়ের এই দলবদল জয়পুরহাটের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। একদিকে হতাশ কর্মীদের নতুন আশ্রয়, অন্যদিকে জামায়াতের সংগঠন পুনরুজ্জীবনের ইঙ্গিত-সব মিলিয়ে নির্বাচনের আগে এ ঘটনাকে গুরুত্বসহকারে দেখছে রাজনৈতিক মহল।


সূত্র:  bd24report

#ট্যাগস #banglaedition24 #banglaedition247

শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫

বেকারত্বের কারণে ছেড়ে গিয়েছিল প্রেমিকা, সেই শাহীন আজ বিসিএস ক্যাডার

ছেড়ে যাওয়া প্রেমিকার দেওয়া উপহার সামগ্রী পুড়িয়ে দিয়েছিলেন শাহীন! ছবি সংগ্রহীত 

 



বেকারত্বের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী শাহীন আলমকে ছেড়ে গিয়েছিল তার প্রেমিকা। তবে সেই শাহীন আলম ৪৪তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

জানা যায়, শাহীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০১২–১৩ সেশনের শিক্ষার্থী এবং হাজী মুহাম্মদ মুহসিন হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। ২০২১ সালে বেকারত্বের কারণে তার প্রেমিকা তার সঙ্গে ‍সম্পর্ক ছিন্ন করেন। এরপর অভিমানে প্রেমিকার ফেরত দেওয়া উপহারগুলো পুড়িয়ে সেই ভিডিও নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আপলোড করেন শাহীন।


আরও জানা যায়, ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দায় জন্মগ্রহণ করেন শাহীন আলম। তিনি তারাকান্দা এম.এল. উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও তারাকান্দা বঙ্গবন্ধু কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর বড় ভাইয়ের সহযোগিতায় টিউশন করিয়ে নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যান তিনি।


বিসিএস ক্যাডার হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে শাহীন আলম বলেন, আল্লাহর কাছে অনেক অনেক শুকরিয়া, আলহামদুলিল্লাহ। আজ ৪৪তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি। আমার সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান আমার বড় ভাইয়ের, যার সহযোগিতায় ছোটবেলা থেকে পড়াশোনা করতে পেরেছি।


তিনি বলেন, এটি আমার পঞ্চম বিসিএস ছিল। এর আগে তিনবার আশানুরূপ সাফল্য পাইনি। বিসিএস ছাড়া অন্য কোনো চাকরির প্রস্তুতি নেইনি। তথন অনেক হতাশা কাজ করত, কিন্তু আমি হাল ছাড়িনি।


শাহীন আরও বলেন, বাবা-মা বেঁচে না থাকায় আমার বড় বোনের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করেছি। বড় বোন ও দুলা ভাই আমার সাফল্যে

র বড় ভাগিদার।


#প্রশ্নউত্তর #BreakingNews #NewsUpdate #Breaking #News #Bangladesh #BangladeshNews #banglaedition #banglaedition247 #banglaedition24 

বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫

অতিথি শেখ হাসিনাকে ভারত কি ধীরে ধীরে 'আনলক' করতে দিচ্ছে?

ছবি সংগ্রহীত 

 

অতিথি শেখ হাসিনাকে ভারত কি ধীরে ধীরে 'আনলক' করতে দিচ্ছে?

প্রায় ন'মাস আগেকার কথা। ঢাকায় শেখ মুজিবের বাসভবন ৩২ নম্বর ধানমন্ডি ভাঙচুরের পর বাংলাদেশ সরকার একটি বিবৃতি দিয়ে অভিযোগ করে, ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাই সোশ্যাল মিডিয়াতে লাগাতার মিথ্যা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে চাইছেন এবং ভারতের উচিত তার মুখে রাশ টেনে ধরা। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করে জানানো হয় আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদও।


ঠিক তার পর দিনই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাল্টা বিবৃতি দিয়ে দাবি করে, শেখ হাসিনা যা বলছেন তা তিনি 'ব্যক্তি শেখ হাসিনা হিসেবে', মানে তার 'ইন্ডিভিজুয়াল ক্যাপাসিটি'তে বলছেন – এবং ভারত সরকারের সেখানে কোনো ভূমিকাই নেই।


ভারতকে 'নেতিবাচক' দৃষ্টিতে তুলে ধরলে বা বাংলাদেশের 'অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক ব্যর্থতা'র জন্য ভারতকে দায়ী করলে তা যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য সহায়ক হবে না, মনে করিয়ে দেওয়া হয় সেটাও। যথারীতি পাল্টা তলব করা হয় দিল্লিতে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনারকেও।


আসলে গত সোয়া বছর ধরে ভারতের আশ্রয় ও আতিথেয়তায় থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আদৌ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে দেওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে যে পরিমাণ কূটনৈতিক তিক্ততা তৈরি হয়েছে তা এক কথায় নজিরবিহীন।


এমনকী বিষয়টি নিয়ে কথাবার্তাও হয়েছে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে।


সোর্স-  বিবিসি 

বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

ছবি সংগ্রহীত 

 প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ



সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ৮ নভেম্বর শুরু হয়ে চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। কাল বৃহস্পতিবার প্রথম ধাপে ছয় বিভাগের ১০ হাজার ২১৯টি পদে শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। 


বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে...



বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম ধাপের বিভাগগুলো হলো রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর। দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এ দুই বিভাগে শূন্য পদ রয়েছে ৪ হাজার ১৬৬টি।


এর আগে চলতি বছরের ২৮ আগস্ট রাতে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তিন দিন পর ৩১ আগস্ট গঠিত হয় আট সদস্যের ‘কেন্দ্রীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ কমিটি’। এ কমিটির চেয়ারম্যান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও সদস্যসচিব অধিদপ্তরের (পলিসি ও অপারেশন) পরিচালক। 


এ ছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ও সরকারি কর্ম কমিশনের প্রতিনিধিরা রয়েছেন কমিটিতে। পরে ২ নভেম্বর সংশোধিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫ প্রকাশ করা হয়। এতে নতুন সৃষ্টি করা সংগীত ও শরীরচর্চা শিক্ষক পদ বাদ দেওয়া হয়। এ দুটি পদ বাদ দেওয়ার পাশাপাশি বিধিমালায় কিছু ‘শব্দগত পরিবর্তন’ আনা

 হয়েছে।


বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে...👇






সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫

দেশজুড়ে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১,৫১৫ জন

প্রতীকী ছবি 

 দেশজুড়ে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১,৫১৫ জন


স্টাফ রিপোর্টার | ঢাকা


দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১,৫১৫ জনকে। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও জেলা পর্যায়ের অভিযানে এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।


পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে সারাদেশে একযোগে অভিযান চালানো হয়। এর মধ্যে রাজনৈতিক সহিংসতা, নাশকতা, মাদক ও অস্ত্র সংক্রান্ত মামলায় অভিযুক্তদের পাশাপাশি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিরাও রয়েছেন।


এক সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।”


এছাড়া, অভিযান চলাকালে বিপুল পরিমাণ মাদক, দেশীয় অস্ত্র ও বিভিন্ন মামলার আলামত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।


পুলিশ জানায়, অভিযানে ঢাকাসহ সব বিভাগীয় ও জেলা শহরে গোয়েন্দা ও নিয়মিত পুলিশ একযোগে অংশ নেয়।


🔸 চলবে বিশেষ অভিযান

পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগাম দিনগুলোতেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।



দেশজুড়ে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ১,৫১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজনৈতিক সহিংসতা, মাদক ও নাশকতাসহ বিভিন্ন মামলায় এ গ্রেপ্তার অভিযান চলছে।



#দেশজুড়ে_অভিযান #গ্রেপ্তার #বাংলাদেশ_পুলিশ #LawAndOrder #BangladeshNews #পুলিশ_অভিযান #SecurityUpdate #BreakingNews 

মাত্র ২৩ দিনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হারালো পাঁচ শিক্ষার্থী স্টাফ রিপোর্টার | জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মাত্র ২৩ দিনের ব্যবধানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হারিয়েছে পাঁচজন শিক্ষার্থীকে।

 

ছবি সংগ্রহীত 
ছবিতে নিহত, হাসিবুর রহমান-সানজিদা ইসলাম-জোবায়েদ হোসাইন-আবুল কালাম

মাত্র ২৩ দিনের ব্যবধানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) হারিয়েছে পাঁচজন শিক্ষার্থীকে। এর মধ্যে তিনজন বর্তমান এবং দুজন সাবেক শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় পুরো বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।


নিহতরা হলেন- ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমান, ইতিহাস বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সানজিদা ইসলাম, পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসাইন, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের আবুল কালাম এবং হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ২০০৫-০৬ সেশনের মানজুরা আক্তার। মানজুরা আক্তারের সঙ্গে একই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে তার ১০ বছর বয়সী মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা।


ভূগোল বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমান গত ৩ অক্টোবর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। পুরান ঢাকার স্টার কাবাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে রাতের খাবার খাওয়ার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে দ্রুত ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি জবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।


সানজিদা ইসলাম, ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৮ অক্টোবর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। সহপাঠীদের মতে, তিনি বিভাগের অন্যতম মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনদিন জ্বরে ভোগার পর ডেঙ্গু শনাক্ত হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে।


জোবায়েদ হোসাইন, পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী, ১৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় টিউশন করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে নিহত হন। তিনি বর্ষা নামের এক ছাত্রীকে ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি ও বায়োলজি পড়াতেন।


তদন্তে জানা যায়, বর্ষা ও তার প্রেমিক মাহির রহমান পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে। প্রায় ২৫ দিনের পরিকল্পনায় তারা ওই দিন বিকেলে হত্যাকাণ্ডটি ঘটায়। পুলিশ এরই মধ্যে এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। জোবায়েদ জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন।


মানজুরা আক্তার, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ২০০৫-০৬ সেশনের সাবেক শিক্ষার্থী, ২৪ অক্টোবর সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় নিহত হন। সকালে ইনাতনগর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারানো সেঁজুতি ট্রাভেলসের বাসটি খাদে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি ও তার মেয়ে আয়েশা।


জানা যায়, তিনি বিসিআইসি-এর কর্মকর্তা ছিলেন এবং পরিবার নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণে যাচ্ছিলেন।


আবুল কালাম, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০০৮-০৯ সেশনের সাবেক শিক্ষার্থী, ২৬ অক্টোবর রাজধানীর ফার্মগেটে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। দুপুরে মেট্রোরেল প্রকল্পের একটি পিলার থেকে ‘বিয়ারিং প্যাড’ (স্প্রিং) ছিটকে পড়ে তার মাথায় লাগে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। বিয়ারিং প্যাডটি পড়ে কাছের দোকানের কাঁচ ভেঙে দোকানদারও আহত হন।


মাত্র ২৩ দিনের ব্যবধানে এভাবে পাঁচজন শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে হারিয়ে শোকে নিমজ্জিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে নির্ধারিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ এবং ক্যাম্পাসে করা আলোকসজ্জাও খুলে ফেলা হয়েছে সম্মা

নের নিদর্শন হিসেবে।

#জগন্নাথ_বিশ্ববিদ্যালয় #জবি #JnU #জবি_শিক্ষার্থী #বিশ্ববিদ্যালয়_খবর #বাংলাদেশ_সংবাদ #ক্যাম্পাস_নিউজ #JnUNews #জবি_শোক #EducationNews #BangladeshNews #banglaedition24


সুইমিংপুলে ছাত্রীর মৃ’ত্যু: বিক্ষোভে উত্তাল রাবি ক্যাম্পাস

ছবি সংগ্রহীত 

 📰 সুইমিংপুলে ছাত্রীর মৃ’ত্যু: বিক্ষোভে উত্তাল রাবি ক্যাম্পাস


নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে গিয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সায়মা হোসেনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।


ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন শিক্ষার্থীরা। তারা অভিযোগ করেন, এটি কোনো নিছক দুর্ঘটনা নয়; বরং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শারীরিক শিক্ষা বিভাগ ও মেডিকেল সেন্টারের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার ফলেই সায়মার মৃত্যু হয়েছে।


🔹 শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

শিক্ষার্থীরা জানান, দুর্ঘটনার পরপরই পর্যাপ্ত চিকিৎসা সহায়তা না পাওয়ায় সায়মাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি। তারা দাবি করেন, সুইমিংপুলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রশিক্ষিত লাইফগার্ড ছিল না। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে প্রয়োজনীয় জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামও ছিল না।


একজন শিক্ষার্থী বলেন,


> “আমাদের বন্ধু সায়মা সময়মতো চিকিৎসা পেলে হয়তো বাঁচানো যেত। প্রশাসনের অবহেলাই তার প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।”



🔹 প্রশাসনের দাবি

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. রোখসানা বেগম দাবি করেছেন, সায়মার মৃত্যু ‘হার্ট অ্যাটাকের’ কারণে হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে ঘটনাটিকে অবহেলার কারণে সংঘটিত মৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করেছেন।


🔹 বিক্ষোভে উত্তাল রাত

রাত ৯টার পর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই মৃত্যুর দায় প্রশাসন এড়াতে পারে না।”


শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি জানিয়েছেন—

১️⃣ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিচার,

২️⃣ সুইমিংপুলে আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রশিক্ষিত কর্মী নিয়োগ,

৩️⃣ মেডিকেল সেন্টারের জরুরি সেবা উন্নত করা।


🔹 উপাচার্যের প্রতিক্রিয়া


ঘটনার পর উপাচার্য প্রফেসর গোলাম সাব্বির সাত্তার জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং কারও গাফিলতি প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

📍 শেষ খবর পর্যন্ত, শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সায়মার মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন।

জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ, খালু গ্রেপ্তার

 






🟥 জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ, খালু গ্রেপ্তার


হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুরে জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে অচেতন করে ভাতিজিকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. জাবেদ মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৯। তিনি ভুক্তভোগী কিশোরীর খালু বলে জানিয়েছে র‍্যাব।


র‍্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাত ৮টা ৫৫ মিনিটের দিকে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানাধীন নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নোয়াপাড়া বাজার এলাকায় র‍্যাব-৯, সিপিসি-৩ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে।


গ্রেপ্তারকৃত জাবেদ মিয়া হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার উত্তর সাংঘর গ্রামের মৃত ছত্তার মিয়ার ছেলে।


🔸 ঘটনার বিবরণ

মামলার বিবরণে জানা যায়, ভুক্তভোগী মাধবপুর থানার বাসিন্দা। পারিবারিক আত্মীয়তার সূত্রে খালু জাবেদ মিয়া তাদের বাড়িতে নিয়মিত আসা-যাওয়া করতেন।

গত ১৯ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি ভুক্তভোগীর বাড়িতে এসে জানান, সেদিন রাতে তিনি সেখানে অবস্থান করবেন। পরিবারের অনুমতিতে তাকে ভুক্তভোগীর পাশের কক্ষে থাকতে দেওয়া হয়।


রাতের খাবারের পর তিনি জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে ভুক্তভোগী ও তার বড় বোনকে খাওয়ান। কিছুক্ষণ পর তারা অচেতন হয়ে পড়েন। পরদিন সকাল ৭টার দিকে পাশের বাসার লোকজন ডাকাডাকি করলে বড় বোনের জ্ঞান ফিরে আসে। তখন দেখা যায়, ছোট বোন অচেতন অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছে।


জ্ঞান ফেরার পর ভুক্তভোগী জানান, জুস খাওয়ার পর তিনি কিছুটা অচেতন হয়ে পড়লে খালু জাবেদ মিয়া তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যান।


🔸 মামলা ও গ্রেপ্তার অভিযান

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৯(১) ধারায় মামলা (নম্বর ৩৪, তারিখ ২৫/১০/২০২৫) দায়ের করেন।


মামলা হওয়ার পর র‍্যাব-৯ এ ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নোয়াপাড়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় একমাত্র আসামি জাবেদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।


পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাকে মাধবপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


🔸 র‍্যাবের বক্তব্য

র‍্যাব-৯ জানিয়েছে, সমাজে নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধ প্রতিরোধে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।


হবিগঞ্জ ধর্ষণ, মাধবপুর খবর, র‍্যাব অভিযান, নারী নির্যাতন, কিশোরী ধর্ষণ, বাংলাদেশ ক্রাইম নি

উজ, Crime News BD, Breaking News BD


বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৫

পরপর কন্যা সন্তানের জন্মে ক্ষোভ! ৫ দিনের নবজাতককে খালে নিক্ষেপ করলেন নির্মম মা

ছবি সংগ্রহীত 

 সাতক্ষীরার কলারোয়ায় দুই কন্যার পর আবারও কন্যা শিশু জন্ম হওয়ায় পাঁচ দিনের নবজাতককে খালে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক মায়ের বিরুদ্ধে। পুলিশ অভিযুক্ত মা শারমিন আক্তারকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে।


সোমবার (২০ অক্টোবর) রাত পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সাইফুল ইসলাম।


তিনি জানান, সোমবার রাত ৮টার দিকে শিশুটির বাবা ইব্রাহিম খলিল (৪২) থানায় এসে নবজাতক নিখোঁজের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে চান। তবে তার বক্তব্য সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুর মা শারমিনের সঙ্গে কথা বলে।


জিজ্ঞাসাবাদে শারমিন আক্তার জানান, তাদের আগেই পাঁচ বছর ও দেড় বছরের দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে। পর পর কন্যা সন্তান জন্ম হওয়ায় তিনি ক্ষোভের বশে নবজাতক শিশুটিকে বাড়ির পাশের খালে ফেলে দেন।


পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ খালের কচুরিপনার ভেতর থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে। ওই অবস্থায় নবজাতককে হাসপাতলে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সাইফুল ইসলাম বলেন, মৃত শিশুর দাদি খাদিজা খাতুন বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর গ্রেপ্তার শারমিন আক্তারকে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। শিশুর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।


ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিঠুন সরকার, ডিবি ও পিবিআই কর্মকর্তাসহ স্থানীয় জনপ্র

তিনিধিরা।



মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫

সালমান শাহ হত্যা মামলা: ২৯ বছর পর নতুন মোড়, স্ত্রী সামিরা-খলনায়ক ডনসহ অভিযুক্ত ১১ জন

ছবি সংগ্রহীত 

 

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহর রহস্যজনক মৃত্যুর ২৯ বছর পর অবশেষে অপমৃত্যু মামলা রূপ নিল হত্যা মামলায়—প্রধান আসামি স্ত্রী সামিরা হক।





বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহর মৃত্যু নিয়ে নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে। মৃত্যুর ২৯ বছর পর তার অপমৃত্যু মামলা এবার হত্যা মামলা হিসেবে রূপ নিচ্ছে।


মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রমনা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি মো. মাজহারুল ইসলাম)। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশে অপমৃত্যু মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, এবং ঘটনাটির বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে।


এর আগে সোমবার (২০ অক্টোবর) মধ্যরাতে রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহের মামা আলমগীর কুমকুম।

এজাহারে সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা হককে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন —

ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, এবং চলচ্চিত্রের খলনায়ক ডনসহ মোট ১১ জন। আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তির নামও যুক্ত হয়েছে মামলায়।


ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক সালমান শাহ হত্যা মামলার পুনঃতদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আদালত সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীর রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি চালুর নির্দেশ দেন।


বাদীপক্ষের আইনজীবী ও পরিবার জানায়, তারা দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করে আসছেন। যদিও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ২০১৯ সালের প্রতিবেদনে ‘আত্মহত্যা’ হিসেবে মত দেয়, তবুও সালমান শাহের পরিবার ও ভক্তরা সেই প্রতিবেদন মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়।


মামা আলমগীর কুমকুম বলেন,


> “সালমান শাহর বাবা একজন ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। তিনি অপমৃত্যুকে হত্যা মামলায় রূপান্তর করার চেষ্টা করেছেন সারাজীবন। এখন ২৯ বছর পর সেটি সম্ভব হয়েছে। ইনশাআল্লাহ প্রমাণ হবে এটা হত্যা।”




১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমান শাহের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেই থেকে তার মৃত্যু ঘিরে রহস্য, গুজব, ও বিতর্কের জন্ম হয় যা আজও শেষ হয়নি।


এখন প্রশ্ন—প্রায় তিন দশক পর এই হত্যা মামলা কি নতুন করে সেই রহস্য উন্মোচন করবে?

পুরো দেশ আজ তাকিয়ে আছে সেই উত্তরের দিকে।



#SalmanShah #SalmanShahMurderCase #BanglaCinema #SamiraHaque #AzizMohammadBhai #DhakaNews #BangladeshEntertainmentNews #সালমান_শাহ #বাংলা_চলচ্চিত্র #BreakingNews #Entertainment #banglaedition24

সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫

আলোচিত ‘বাংলা পর্নো তারকা’ দম্পতি অবশেষে গ্রেফতার! বান্দরবানে সিআইডির গোপন অভিযান

ছবি সংগ্রহীত 

 🔴 ‘বাংলা পর্নো তারকা’ দম্পতি অবশেষে গ্রেফতার! বান্দরবানে সিআইডির গোপন অভিযান



বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।


জানা গেছে, তারা বাংলাদেশে বসেই অশ্লীল ভিডিও ধারণ, সম্পাদনা ও আপলোড করতেন এবং এর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করছিলেন। সম্প্রতি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বান্দরবান এলাকায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় সোমবার (২০ অক্টোবর) সিআইডির একটি দল তাদের গ্রেফতার করে।


সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটের সঙ্গে তাদের সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। বিস্তারিত তদন্তের পর আরও তথ্য জানানো হবে।”


অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত এই দম্পতি কেবল নিজেরাই অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি করছিলেন না, বরং অন্যদেরও এই কার্যক্রমে যুক্ত হতে উৎসাহিত করতেন। ফলে দেশে বসেই একটি পর্নো ভিডিও প্রযোজনা ও প্রচারের নেটওয়ার্ক গড়ে উঠছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


উল্লেখ্য, বাংলাদেশের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ অনুযায়ী পর্নোগ্রাফি উৎপাদন ও বিতরণ একটি ফৌজদারি অপরাধ।


সম্প্রতি ঢাকাভিত্তিক অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম দ্য ডিসেন্ট এই যুগলের কর্মকাণ্ড প্রকাশ করলে বিষয়টি জনসমক্ষে আসে এবং সিআইডি তৎপরতা শুরু করে।


#CID #CrimeNews #Bangladesh #PornographyAct #BreakingNews

#banglaedution24 #banglaedition247 


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা: প্রেমঘটিত ঘটনায় অভিযুক্ত মাহির গ্রেপ্তার

ছবি সংগ্রহীত 

 জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হ’ত্যা’র ঘটনায় ছাত্রীর বয়ফ্রেন্ড গ্রে’প্তা’র


🔴 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা: প্রেমঘটিত ঘটনায় অভিযুক্ত মাহির গ্রেপ্তার


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসেন হত্যা মামলায় অভিযুক্ত মাহির রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানোর পর সোমবার (২০ অক্টোবর) ভোরে মাহিরের মা তাকে বংশাল থানায় নিয়ে সোপর্দ করেন। বিষয়টি দুপুরে নিশ্চিত করেছেন মাহিরের পরিবার ও পুলিশ।


এর আগে রবিবার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে পুরান ঢাকায় টিউশনিতে যাওয়ার পথে ছুরিকাঘাতে খুন হন জোবায়েদ হোসেন। বাসার নিচতলা থেকে তৃতীয় তলা পর্যন্ত সিঁড়িতে রক্তের দাগ পাওয়া যায়, এবং তৃতীয় তলার সিঁড়িতে পড়ে থাকতে দেখা যায় তার মরদেহ। রাত ১০টা ৫০ মিনিটে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়।


প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ বলছে, প্রেমঘটিত কারণেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। অভিযুক্ত ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা জানিয়েছেন, তার ও মাহির রহমানের ৯ বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল, যা সম্প্রতি ভেঙে যায়। বর্ষা মাহিরকে জানায় যে সে জোবায়েদকে পছন্দ করে। এতে রাগে ও ক্ষোভে মাহির তার এক বন্ধুকে নিয়ে জোবায়েদকে খুন করে।


বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন,


> “বর্ষা ও মাহিরের সম্পর্ক ছোটবেলা থেকে। চতুর্থ শ্রেণি থেকেই তারা একে অপরকে পছন্দ করত। কিন্তু সম্প্রতি বর্ষার অন্য একজনকে পছন্দ করার কথা জানালে মাহির রেগে গিয়ে জোবায়েদকে হত্যা করে।”




ওসি আরও জানান, জোবায়েদ ও বর্ষার মধ্যে কোনো সরাসরি প্রেমের সম্পর্ক ছিল না, এমনকি তাদের মধ্যে মেসেজ আদান-প্রদানেরও প্রমাণ মেলেনি। তবে জোবায়েদের বন্ধু সৈকতের সঙ্গে বর্ষার ফেসবুকে পরিচয় ছিল।


পুলিশ জানায়, বর্ষাকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় শান্ত ও স্বাভাবিক দেখা গেছে, কোনো হতাশা বা অপরাধবোধের লক্ষণ পাওয়া যায়নি। ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে চিহ্নিত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


📍 ঘটনার সময়: রবিবার, ১৯ অক্টোবর

📍 স্থান: পুরান ঢাকা, বংশাল থানা এলাকা

📍 হতাহত: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসেন (নিহত)

📍 আসামি: মাহির রহমান (গ্রেপ্তার), বার্জিস শাবনাম বর্ষা (জিজ্ঞাসাবাদাধীন)


#জবি_হত্যা #JagannathUniversity #ZobayedMurder #DhakaCrime #Stude

ntPolitics #BangladeshNews


শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫

স্বৈরাচারের দোসরদের খুঁজে শাস্তি দিন, আগুন বিচ্ছিন্ন নয়—চক্রান্তের অংশ:

স্বৈরাচারের দোসরদের খুঁজে শাস্তি দিন, আগুন বিচ্ছিন্ন নয়—চক্রান্তের অংশ: নাগরিকদের দাবি

 স্বৈরাচারের দোসরদের খুঁজে বের করে উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনতে না পারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম বড় ব্যর্থতা। যার ফল বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদে ভোগ করতে হবে। 


বিভিন্ন জায়গায় আগুন লাগাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখিনা। এগুলো স্বৈরাচারের দোসরদের দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্তের অংশ। তথাকথিত তদন্ত কমিটির নাটক বাদ দিয়ে এর পিছনের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করা হোক। 

✍️সার্জিদ আলমের ফেসবুক পোস্ট



অগ্নিকাণ্ড নিয়ে সরকারের আশ্বাস: ‘নাশকতার প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা’

ছবি সংগ্রহীত 

 অগ্নিকাণ্ড নিয়ে সরকারের আশ্বাস: ‘নাশকতার প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা’


বিবৃতি-


ঢাকা, ১৮ অক্টোবর: দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত কয়েকটি বড় অগ্নিকাণ্ড নিয়ে জনগণের উদ্বেগ সম্পর্কে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অবগত। আমরা সকল নাগরিককে আশ্বস্ত করতে চাই যে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো প্রতিটি ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করছে এবং সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে জীবন ও সম্পদ রক্ষায় কাজ করছে। নাশকতা বা অগ্নিসংযোগের কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা উসকানিকে জনজীবন ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে দেওয়া হবে না।


আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই: যদি এই অগ্নিকাণ্ডগুলো নাশকতা হিসেবে প্রমাণিত হয় এবং এর উদ্দেশ্য যদি আতঙ্ক ও বিভাজন সৃষ্টি করা হয়, তবে তারা কেবল সফল হবে যদি আমরা ভয়কে আমাদের বিবেক ও দৃঢ়তার ওপর প্রাধান্য নিতে দিই। বাংলাদেশ অতীতেও বহু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে, এবং ঐক্য, শান্ত মনোভাব ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে আমরা আমাদের নতুন গণতন্ত্রের প্রতি যেকোনো হুমকির মোকাবিলা করব।


আমাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই—ভয় ছাড়া।


✍️প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস 

সমাপ্ত।


#অগ্নিকাণ্ড #সরকারেরবিবৃতি #নাশকতা #ঢাকাআগুন #BangladeshFire #DhakaAirportFire #InterimGovernment #BangladeshNews #FireUpdate #BreakingNews #ShahjalalAirport #NewsBangladesh #GovtStatement #FireInvestigation #Bangladesh2025 #banglaedition24 #banglaedition247



জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল এক মোটরসাইকেল আরোহীর


ছবি সংগ্রহীত 

📰 ব্রেকিং নিউজ | জয়পুরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল এক মোটরসাইকেল আরোহীর 🚨

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নাসির হোসেন (৫৮) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার কামারগাড়ী এলাকায় জয়পুরহাট-ক্ষেতলাল সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত নাসির হোসেন ক্ষেতলাল উপজেলার তিলাবদুল মুন্সি পাড়া গ্রামের আব্দুল বারীর ছেলে।
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম জানান, নাসির হোসেন টিসিবির পণ্য ক্রয় করে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

🔹 দুর্ঘটনায় অপর মোটরসাইকেল আরোহী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
🔹 পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

#Joypurhat #RoadAccident #BreakingNews #BanglaEdition24 #Khetlal #MotorcycleAccident #BangladeshNews


জুলাই সনদের ৫ নম্বর দফা সংশোধিত:

ছবি সংগ্রহীত 


জুলাই সনদে প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ ও দায়িত্বের পরিধি  




জুলাই জাতীয় সনদে সই করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। এতে স্বাক্ষর করেছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজসহ কমিশনের অন্যান্য সদস্যরাও।

আজ শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক অনুষ্ঠানে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ স্বাক্ষরিত হয়।

জুলাই সনদে প্রধানমন্ত্রী পদের ক্ষেত্রে যে নিয়মের কথা বলা হয়েছে—

প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ : এক ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী পদে যত মেয়াদ বা যত বারই হোক সর্বোচ্চ ১০ বছর থাকতে পারবেন, এজন্য সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদসমূহের প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর একাধিক পদে থাকার বিধান : সংবিধানে এরূপ যুক্ত করা হবে যে, প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন ব্যক্তি একইসঙ্গে দলীয় প্রধানের পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন না।

এ ছাড়া জুলাই সনদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও দায়িত্বসহ অন্যান্য বিষয়গুলো হলো—

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি : সংবিধানে এরূপ যুক্ত করা হবে, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী আইনসভার উভয় কক্ষের (নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষ) সদস্যদের গোপন ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নির্বাচিত হবেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮(৪) এ বর্ণিত যোগ্যতাগুলো এবং রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ার সময় কোনো ব্যক্তি কোনো রাষ্ট্রীয়, সরকারি বা রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের পদে থাকতে পারবেন না।

রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও দায়িত্ব : রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য আনয়নের লক্ষ্যে এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮(৩) এর সংশোধনী আনয়ন করা, যাতে কারও পরামর্শ বা সুপারিশ ছাড়াই নিজ এখতিয়ারবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নলিখিত পদে নিয়োগ প্রদান করতে পারেন—(১) জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ, (২) তথ্য কমিশনের প্রধান তথ্য কমিশনার ও তথ্য কমিশনারগণ, (৩) বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ, (৪) আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ, (৫) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, এবং (৬) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ।

রাষ্ট্রপতির অভিশংসন প্রক্রিয়া : সংবিধানে এরূপ যুক্ত করা হবে, রাষ্ট্রদ্রোহ, গুরুতর অসদাচরণ বা সংবিধান লঙ্ঘনের জন্য রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করা যাবে। আইনসভার নিম্নকক্ষে অভিশংসন প্রস্তাবটি দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে পাস করার পর তা উচ্চকক্ষে প্রেরণ এবং উচ্চকক্ষে শুনানির মাধ্যমে দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থনে অভিশংসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শন : সংবিধানে এরূপ যুক্ত করা হবে, কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যেকোনো দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করার এবং যেকোনো দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকবে এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত মানদণ্ড, নীতি ও পদ্ধতি অনুসরণক্রমে তিনি উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। সংশ্লিষ্ট আইনে এরূপ বিধান রাখা হবে যে, এরূপ কোনো আবেদন বিবেচনার পূর্বে মামলার বাদী বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির পরিবারের সম্মতি গ্রহণ করা হবে।

হাসিনার মৃত্যুদণ্ডে অস্থির নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ

ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে হাসিনার মৃত্যুদণ্ডে অস্থির নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ লেখক: কৃষ্ণ এন. দাস ও সাম জাহান ১৮ নভেম্বর ২০২৫ সারসংক্ষেপ রায় ঘোষণ...