বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫

হাসিনার মৃত্যুদণ্ডে অস্থির নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ

ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে



হাসিনার মৃত্যুদণ্ডে অস্থির নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ


লেখক: কৃষ্ণ এন. দাস ও সাম জাহান

১৮ নভেম্বর ২০২৫


সারসংক্ষেপ


রায় ঘোষণার পরই ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ


হাসিনাকে ভারতে থেকে ফেরত আনার চাপে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে টানাপোড়েন


আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ থাকলে গণবিক্ষোভের হুমকি দিয়েছেন হাসিনার ছেলে


রাজনৈতিক অস্থিরতায় পোশাক রপ্তানি ও অর্থনীতি ঝুঁকিতে



ঢাকা, ১৯ নভেম্বর (রয়টার্স) — নির্বাসিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার রায়ের পরও গত বছরের ছাত্রনেতৃত্বাধীন সরকারবিরোধী আন্দোলন ও সহিংস দমন-পীড়নে ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশের ক্ষত এখনও নিরাময় হয়নি।


প্রতিবাদে নিহতদের পরিবার অবিলম্বে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দাবি করছে। সরকার চাপ দিচ্ছে ভারতের ওপর, যেখানে হাসিনা গত বছর পালিয়ে গিয়েছিলেন।


রায়ের পর আদালতে উল্লাস ঝড়লেও নিহতদের স্বজনরা হাসিনার ফাঁসি দ্রুত কার্যকরের দাবি তোলে। কিন্তু তাকে ফেরত আনার প্রচেষ্টা একের পর এক ব্যর্থ হওয়ায় ঢাকার সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্কেও টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে।


এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন— ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যদি আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা না ওঠে, তবে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হবে। এতে ১৭ কোটি জনসংখ্যার দেশটি অস্থির হয়ে উঠতে পারে, বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর কাছে পোশাক রপ্তানি ব্যাহত হতে পারে, এবং ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের আইএমএফ সহায়তার ওপর নির্ভরশীল অর্থনীতি ঝুঁকিতে পড়তে পারে।


২০২৪ সালের আন্দোলনে জাতিসংঘের হিসাবে প্রায় ১,৪০০ মানুষ নিহত হয় এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রায় থমকে যায়।


“সত্যিকারের বিচার তখনই হবে যখন তার গলায় ফাঁসির দড়ি পরানো হবে,” বলেন আব্দুর রব, যার ছেলে আন্দোলনে নিহত হয়েছিল। ব্যানারে তিনি দেখাচ্ছিলেন ফাঁসির দড়ি ও লেখা— “খুনি হাসিনা”।

“তখনই আমরা জাতির ইতিহাসের এই কালো অধ্যায় মুছে ফেলতে পারব।”


২০ বছরের শাসন— যার মধ্যে টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় ছিলেন— শেষে হাসিনা রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যা দেন। তার ভাষায়, “গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেটহীন একটি অনির্বাচিত সরকার পরিচালিত সাজানো ট্রাইব্যুনালের রায়।”



---


ভারতের সাথে সম্পর্কে উত্তেজনা


আসন্ন নির্বাচন দীর্ঘ প্রতীক্ষিত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিএনপি আবার ক্ষমতায় ফিরবে— দুই দলের এই পালাবদল দেশের ইতিহাসে বহু পুরোনো।


এদিকে ছাত্রনেতাদের প্রতিনিধিত্বে ও নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার হাসিনাকে দেশে ফেরানোর চ্যালেঞ্জের মুখে।


রায়ের পর ভারতকে সরকার জানায়—

“হাসিনাকে ফেরত না পাঠানো অত্যন্ত অমিত্রতাপূর্ণ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবমাননা।”

ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলে—

“উভয় দেশের বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী এটি ভারতের বাধ্যবাধকতা।”


তবে এর আগের সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে।


নয়াদিল্লি জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের শান্তি, গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে সব পক্ষের সাথে গঠনমূলকভাবে কাজ করবে।


ভারত সরকারের এক সূত্র জানায়, প্রত্যর্পণ একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া— ট্রাইব্যুনালের নথি পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হতে হয় যে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া, সুষ্ঠু প্রতিনিধিত্ব ও বিশ্বাসযোগ্য সাক্ষ্য ছিল কি না। নথি ছাড়া ভারত এগোতে পারে না। তাছাড়া মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনে হলে চুক্তির ছাড় দেওয়ার বিধানও আছে।


রাজনৈতিক বিশ্লেষক জ্যোতি রহমান বলেন,

“তাদের দারুণ বন্ধুত্বপূর্ণ হতে হবে না, কিন্তু চিরতরে শত্রুতায়ও থাকতে পারে না। হাসিনা যতদিন ভারতে আছেন, বাংলাদেশের পক্ষে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা কঠিন হবে। ভারতও সেটি বুঝে।”



---


সহিংসতার আশঙ্কা


রায়ের আগেই ঢাকায় সহিংসতা বাড়ে— রবিবার কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ হয় এবং ১২ নভেম্বর একদিনেই ৩২টি বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। বেশ কিছু বাসেও আগুন দেওয়া হয়। এসব নাশকতার অভিযোগে আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


হাসিনার ছেলে ও উপদেষ্টা ওয়াজেদ বলেন, যদি আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা না ওঠে তাহলে তারা জাতীয় নির্বাচন বাধা দেবে।

তিনি বলেন,

“বড় বিক্ষোভ হবে... মুখোমুখি সংঘর্ষ হবে।”


তিনি জানান, তার মা দেশের সব নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, এবং তিনিও নিয়মিত যোগাযোগে আছেন।

“আমাদের শত-শত নেতাকর্মী আছে, কোটি সমর্থক আছে। তারা ক্ষুব্ধ।”


অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, ২০২৪ সালের সহিংসতায় জড়িত থাকার কারণে আওয়ামী লীগ এখনও “আইনগতভাবে নিষিদ্ধ”, এবং “সহিংসতার উসকানি” দিলে দলের অবস্থান আরও কঠিন হবে।


সরকারের ভাষায়,

“আমাদের মূল লক্ষ্য জীবন ও সম্পদের সুরক্ষা, এবং নির্বাচনের আগে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সংযম, আনুপাতিক ব্যবস্থা ও সংলাপকে অগ্রাধিকার দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”


২৪ বছর বয়সী আমান উল্লাহ, যিনি আন্দোলনে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, বলেন—

“আমি আর দেখতে পাই না। কিন্তু যেদিন শুনব তাকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে, সেদিনই আমার জন্য ঈদের চেয়েও বড় আনন্দ হবে।”



--- (রয়টার্স) 

সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫

আন্দোলনে আহত শিক্ষক মারা গেলেন

ছবি সংগ্রহীত 

 

আন্দোলনে আহত শিক্ষিকা ফাতেমা আক্তারের মৃত্যু


রাজধানীতে শিক্ষক আন্দোলনে আহত চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ঝিনাইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ফাতেমা আক্তার মারা গেছেন। রোববার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর মিরপুর অলক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।


ফাতেমা আক্তার ১০ম গ্রেডসহ তিন দফা দাবিতে চলমান শিক্ষক আন্দোলনে অংশ নেন। আন্দোলন চলাকালে পুলিশের নিক্ষেপ করা সাউন্ড গ্রেনেডের শব্দে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কয়েকদিনের চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।


সন্ধ্যার পর তাঁর মরদেহ নিজ এলাকা ঠাকুরচরে নেওয়া হয় এবং কর্মস্থল ও গ্রামের বাড়িতে জানাজা সম্পন্ন হয়।


পরিবার ও সহকর্মীদের শোক


ফাতেমা আক্তার উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার ঠাকুরচর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম সুরুজ মোল্লা। স্বামী ডি এম সোলেমান একই বিদ্যালয়ের শিক্ষক।


সহকর্মী, স্থানীয় শিক্ষক নেতা এবং অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে ছুটে যান। তারা বলেন, আন্দোলনের সময় সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের পর থেকে ফাতেমা আক্তার অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং এরপর আর সেরে উঠতে পারেননি।


উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুল বাতেন জানান, ফাতেমা আক্তারের স্বামী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আন্দোলনের দিন থেকেই তিনি শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।


ফাতেমা আক্তারের মৃত্যুতে শিক্ষক সমাজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

চলমান শিক্ষক আন্দোলনে প্রথম মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে 

সহকর্মীদের মধ্যে।



#TeacherProtest #FatemaAkter #DhakaNews #BangladeshNews #BreakingNews #Chandpur #PrimaryTeacher #EducationNews #SoundGrenade #ProtestUpdate #LiveNews #BanglaNews #NewsUpdate #BanglaEdition24 

বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫

শেখ হাসিনাকে নিয়ে মীর স্নিগ্ধর পোস্টের জবাবে যা বললেন শাওন

ছবি সংগ্রহীত 

মীর স্নিগ্ধর শেখ হাসিনাকে নিয়ে পোস্ট ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়। সেই পোস্টের জবাবে এবার যা বললেন শাওন, ছড়িয়ে পড়ছে তার মন্তব্য।



বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জুলাই অভিযানের শহীদ মীর মাহফুজুর রহমানের (মুগ্ধ) যমজ ভাই মীর মাহবুবুর রহমান (স্নিগ্ধ) সম্প্রতি এক বিতর্কিত মন্তব্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট দলের প্রধান শেখ হাসিনাকে ফাঁসিতে না ঝোলানো পর্যন্ত তার নাম সর্বদা মানুষের মনে ঘুরবে।

তবে স্নিগ্ধর এই মন্তব্যকে ‘স্ক্রিপ্ট লেখা’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঢালিউড অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে স্নিগ্ধের স্ট্যাটাসটির স্ক্রিনশট শেয়ার করে লেখেন, “আপনার স্ক্রিপ্ট কে লিখে দিয়েছে ভাইয়া? অতিদ্রুত একজন ভালো স্ক্রিপ্টরাইটার নিয়োগ দিন, প্লিজ। এই স্ক্রিপ্ট ‘লিটনের ফ্ল্যাট’-এর রচয়িতার চেয়েও খারাপ।”


এর আগে মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ এক বক্তব্যে আপসহীন নেত্রী শেখ হাসিনাকে ঘৃণার চোখে উল্লেখ করেছিলেন। এ নিয়ে সামাজিক নেটিজেনরা মন্তব্য করেছেন যে, এই পোস্ট মূলত তার পূর্ববর্তী বক্তব্যের ব্যাখ্যাই।


স্নিগ্ধ ফেসবুকে লিখেছেন, “অন্তরে ঘৃণা নিয়ে যে নামটির জন্ম হয়, সেটি হলো শেখ হাসিনার নাম। এটি শুধু আমার নয়; বরং বাংলাদেশের সব সাধারণ মানুষ, যারা গত ১৬ বছরে অত্যাচারিত হয়েছে—এমন পরিবারগুলোর।” তিনি আরও বলেন, “যতদিন এই খুনি হাসিনাকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলানো না হয়, ততদিন তার নাম সকাল-বিকাল, সজ্ঞানে বা স্বপ্নেও মাথায় ঘুরবে। যতবার এই নাম মুখে আসে, মনে রাখবেন—তা কেবল ঘৃণা থেকেই আসে। এই খুনি শেখ হাসিনা যতদিন ফাঁসির দড়িতে না ঝুলছে, ততদিন শান্তি নেই।”



#SheikhHasina #MirSnigdha #Shaon #FacebookNews #ViralPost #BangladeshNews #BanglaEntertainment #SocialMediaBuzz #TrendingNow #BanglaNewsPortal
#banglaedition24 #banglaeditin247

মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫

নীলফামারী-১ আসনে এনসিপির রাশেদের মনোনয়ন, বিএনপির ফাঁকা আসনে নতুন সমীকরণ

 

ছবি সংগ্রহীত 




বিএনপির ফাঁকা রাখা নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র মনোনয়ন নিয়েছেন জেলা শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র ও কলামিস্ট রাশেদুজ্জামান রাশেদ (মোঃ রাশেদ ইসলাম)।


📍 স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে রাশেদ জানান, গতকাল (১০ নভেম্বর) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন তিনি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ — সামান্তা শারমিন, ড. আতিক মুজাহিদ, আবু সাঈদ লিওন ও জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আসিফ ইকবাল মাহমুদ।




🎙️ রাশেদের বক্তব্য: “রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, সেবার জায়গা” মনোনয়ন সংগ্রহের পর রাশেদ বলেন,


> “১৩ তারিখের মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে। আমি দলের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। সুযোগ পেলে এনসিপির পক্ষ থেকে পরিবর্তন আনতে চাই।

রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার নয়, সেবার জায়গা। ডোমার ও ডিমলার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে নেওয়াই আমার মূল লক্ষ্য।”



তিনি আরও বলেন,


> “শিক্ষা, কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতে বৈষম্য দূর করাই আমার অঙ্গীকার। জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা পেলে কাজের মাধ্যমেই সেই আস্থা ফিরিয়ে দেব।”




📘 রাশেদের পরিচিতি: সমাজসেবায় সক্রিয় ও তরুণ নেতৃত্ব

দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়ভাবে সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষা সহায়তা ও যুব কর্মসংস্থানমূলক কাজে সক্রিয় রাশেদুজ্জামান রাশেদ স্থানীয়ভাবে একজন জনপ্রিয় তরুণ নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি একজন লেখক ও কলামিস্ট হিসেবেও পরিচিত।



মনোনয়ন প্রক্রিয়া


এনসিপির পক্ষ থেকে ৬ নভেম্বর থেকে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়েছে, যা চলবে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত।

ফরমের মূল্য ১০ হাজার টাকা, তবে জুলাই আহত ও নিম্ন আয়ের প্রার্থীদের জন্য মাত্র ২ হাজার টাকা রাখা হয়েছে।



🧩 রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট


৩ নভেম্বর বিএনপি তাদের ২৩৭ আসনে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলেও নীলফামারী-১ ও নীলফামারী-৩ আসন ফাঁকা রাখে।

এতে ধারণা করা হচ্ছে, এনসিপির সঙ্গে বিএনপির আসন সমঝোতার ইঙ্গিত রয়েছে।


এদিকে নীলফামারী-১ আসনে বিএনপির শীর্ষ দুই নেতা—

ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন ও আহম্মেদ বাকের বিল্লাহ মুন এখনও প্রার্থী হওয়ার আশায় মাঠে রয়েছেন।


অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী হিসেবে মওলানা আব্দুস সাক্তার-এর নাম ঘোষণা করেছে।



🔹 রাশেদের আহ্বান


> “আমি জনগণের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। ডোমার-ডিমলাকে আধুনিক, স্বনির্ভর ও উন্নত অঞ্চলে রূপ দিতে পারলে সেটাই হবে আমার সাফল্য।”



রাশেদুজ্জামান রাশেদের বার্তা-

> “নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে সকলের নিকট দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী।”





🔖 #NCP #RasheduzzamanRashed #NilphamariElection #BNP #Politics #BangladeshNews #ডোমারডিমলা #জাতীয়নাগরিকপার্টি #Election2025 #NCPBangladesh #banglaedution24 #banglaedition247 

রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫

জয়পুরহাটে জামায়াতে যোগ দিলেন বিএনপির অর্ধশতাধিক কর্মী-সমর্থক

ছবি সংগ্রহীত 

 

জয়পুরহাটের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে বিএনপি থেকে জামায়াতে ইসলামীতে অর্ধশতাধিক কর্মী ও সমর্থকের যোগদান। শনিবার (৮ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের বাসুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ যোগদান অনুষ্ঠিত হয়।



অনুষ্ঠানে নবাগতদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন জয়পুরহাট-২ (কালাই-ক্ষেতলাল-আক্কেলপুর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী রাশেদুল আলম সবুজ। স্থানীয় পর্যায়ে এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। এলাকাবাসী ছাড়াও দুই দলের নেতা-কর্মীদের ভিড় ছিল অনুষ্ঠানস্থলে।


বিএনপি থেকে জামায়াতে যোগ দেয়া এক কর্মী জানান, আমরা অনেক বছর ধরে বিএনপির রাজনীতি করেছি। আগে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রতীকে ভোট দিয়েছি। কিন্তু এবার জয়পুরহাট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফাকে মনোনয়ন না দেয়ায় আমরা হতাশ হয়েছি। তাই জামায়াতের নীতি ও প্রার্থীর প্রতি আস্থা রেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।




স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যারা জামায়াতে যোগ দিয়েছেন, তাদের বেশিরভাগই ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের সক্রিয় বিএনপি কর্মী ছিলেন।


জয়পুরহাট-২ আসনে (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) জামায়াত ইসলামি মনোনীত প্রার্থী রাশেদুল আলম সবুজ সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা জামায়াত ইসলামিকে ভালোবেসে আমাদের দলে যোগ দিচ্ছেন, এতে আমি সত্যিই আবেগাপ্লুত। তাদের সঙ্গে নিয়ে আমরা জয়পুরহাট-২ আসনসহ সারাদেশে কুরআনের আদর্শে বাংলাদেশ গড়তে চাই।


 

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক আদর্শে ভিন্নতা থাকলেও সবার লক্ষ্য একটি-দেশ ও জনগণের কল্যাণ।

স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জাতীয় নির্বাচন ঘনিয়ে আসার প্রেক্ষাপটে এই দলবদল জয়পুরহাট-২ আসনে রাজনৈতিক ভারসাম্যে নতুন মাত্রা আনতে পারে। বিএনপি প্রার্থী মনোনয়ন না পাওয়ায় কর্মীদের হতাশা জামায়াতের পক্ষে কাজ করছে বলেও অনেকে মনে করছেন।



স্থানীয় এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, জয়পুরহাট-২ আসনে জামায়াতে ইসলামির সাংগঠনিক উপস্থিতি আগেও ছিল। এখন বিএনপির কর্মীদের যোগদানে তাদের মাঠপর্যায়ে অবস্থান আরও শক্তিশালী হতে পারে।




কালাইয়ের এই দলবদল জয়পুরহাটের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। একদিকে হতাশ কর্মীদের নতুন আশ্রয়, অন্যদিকে জামায়াতের সংগঠন পুনরুজ্জীবনের ইঙ্গিত-সব মিলিয়ে নির্বাচনের আগে এ ঘটনাকে গুরুত্বসহকারে দেখছে রাজনৈতিক মহল।


সূত্র:  bd24report

#ট্যাগস #banglaedition24 #banglaedition247

শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫

বেকারত্বের কারণে ছেড়ে গিয়েছিল প্রেমিকা, সেই শাহীন আজ বিসিএস ক্যাডার

ছেড়ে যাওয়া প্রেমিকার দেওয়া উপহার সামগ্রী পুড়িয়ে দিয়েছিলেন শাহীন! ছবি সংগ্রহীত 

 



বেকারত্বের কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী শাহীন আলমকে ছেড়ে গিয়েছিল তার প্রেমিকা। তবে সেই শাহীন আলম ৪৪তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

জানা যায়, শাহীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০১২–১৩ সেশনের শিক্ষার্থী এবং হাজী মুহাম্মদ মুহসিন হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন। ২০২১ সালে বেকারত্বের কারণে তার প্রেমিকা তার সঙ্গে ‍সম্পর্ক ছিন্ন করেন। এরপর অভিমানে প্রেমিকার ফেরত দেওয়া উপহারগুলো পুড়িয়ে সেই ভিডিও নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আপলোড করেন শাহীন।


আরও জানা যায়, ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দায় জন্মগ্রহণ করেন শাহীন আলম। তিনি তারাকান্দা এম.এল. উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও তারাকান্দা বঙ্গবন্ধু কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেন। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর বড় ভাইয়ের সহযোগিতায় টিউশন করিয়ে নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যান তিনি।


বিসিএস ক্যাডার হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে শাহীন আলম বলেন, আল্লাহর কাছে অনেক অনেক শুকরিয়া, আলহামদুলিল্লাহ। আজ ৪৪তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি। আমার সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান আমার বড় ভাইয়ের, যার সহযোগিতায় ছোটবেলা থেকে পড়াশোনা করতে পেরেছি।


তিনি বলেন, এটি আমার পঞ্চম বিসিএস ছিল। এর আগে তিনবার আশানুরূপ সাফল্য পাইনি। বিসিএস ছাড়া অন্য কোনো চাকরির প্রস্তুতি নেইনি। তথন অনেক হতাশা কাজ করত, কিন্তু আমি হাল ছাড়িনি।


শাহীন আরও বলেন, বাবা-মা বেঁচে না থাকায় আমার বড় বোনের বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করেছি। বড় বোন ও দুলা ভাই আমার সাফল্যে

র বড় ভাগিদার।


#প্রশ্নউত্তর #BreakingNews #NewsUpdate #Breaking #News #Bangladesh #BangladeshNews #banglaedition #banglaedition247 #banglaedition24 

বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫

অতিথি শেখ হাসিনাকে ভারত কি ধীরে ধীরে 'আনলক' করতে দিচ্ছে?

ছবি সংগ্রহীত 

 

অতিথি শেখ হাসিনাকে ভারত কি ধীরে ধীরে 'আনলক' করতে দিচ্ছে?

প্রায় ন'মাস আগেকার কথা। ঢাকায় শেখ মুজিবের বাসভবন ৩২ নম্বর ধানমন্ডি ভাঙচুরের পর বাংলাদেশ সরকার একটি বিবৃতি দিয়ে অভিযোগ করে, ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাই সোশ্যাল মিডিয়াতে লাগাতার মিথ্যা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে চাইছেন এবং ভারতের উচিত তার মুখে রাশ টেনে ধরা। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করে জানানো হয় আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদও।


ঠিক তার পর দিনই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাল্টা বিবৃতি দিয়ে দাবি করে, শেখ হাসিনা যা বলছেন তা তিনি 'ব্যক্তি শেখ হাসিনা হিসেবে', মানে তার 'ইন্ডিভিজুয়াল ক্যাপাসিটি'তে বলছেন – এবং ভারত সরকারের সেখানে কোনো ভূমিকাই নেই।


ভারতকে 'নেতিবাচক' দৃষ্টিতে তুলে ধরলে বা বাংলাদেশের 'অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক ব্যর্থতা'র জন্য ভারতকে দায়ী করলে তা যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য সহায়ক হবে না, মনে করিয়ে দেওয়া হয় সেটাও। যথারীতি পাল্টা তলব করা হয় দিল্লিতে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনারকেও।


আসলে গত সোয়া বছর ধরে ভারতের আশ্রয় ও আতিথেয়তায় থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আদৌ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে দেওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে যে পরিমাণ কূটনৈতিক তিক্ততা তৈরি হয়েছে তা এক কথায় নজিরবিহীন।


এমনকী বিষয়টি নিয়ে কথাবার্তাও হয়েছে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে।


সোর্স-  বিবিসি 

বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

ছবি সংগ্রহীত 

 প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ



সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ৮ নভেম্বর শুরু হয়ে চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। কাল বৃহস্পতিবার প্রথম ধাপে ছয় বিভাগের ১০ হাজার ২১৯টি পদে শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। 


বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে...



বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম ধাপের বিভাগগুলো হলো রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর। দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এ দুই বিভাগে শূন্য পদ রয়েছে ৪ হাজার ১৬৬টি।


এর আগে চলতি বছরের ২৮ আগস্ট রাতে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ প্রজ্ঞাপন জারি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তিন দিন পর ৩১ আগস্ট গঠিত হয় আট সদস্যের ‘কেন্দ্রীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ কমিটি’। এ কমিটির চেয়ারম্যান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও সদস্যসচিব অধিদপ্তরের (পলিসি ও অপারেশন) পরিচালক। 


এ ছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ও সরকারি কর্ম কমিশনের প্রতিনিধিরা রয়েছেন কমিটিতে। পরে ২ নভেম্বর সংশোধিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫ প্রকাশ করা হয়। এতে নতুন সৃষ্টি করা সংগীত ও শরীরচর্চা শিক্ষক পদ বাদ দেওয়া হয়। এ দুটি পদ বাদ দেওয়ার পাশাপাশি বিধিমালায় কিছু ‘শব্দগত পরিবর্তন’ আনা

 হয়েছে।


বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে...👇






হাসিনার মৃত্যুদণ্ডে অস্থির নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ

ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে হাসিনার মৃত্যুদণ্ডে অস্থির নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ লেখক: কৃষ্ণ এন. দাস ও সাম জাহান ১৮ নভেম্বর ২০২৫ সারসংক্ষেপ রায় ঘোষণ...