সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫

দেশজুড়ে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১,৫১৫ জন

প্রতীকী ছবি 

 দেশজুড়ে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১,৫১৫ জন


স্টাফ রিপোর্টার | ঢাকা


দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১,৫১৫ জনকে। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও জেলা পর্যায়ের অভিযানে এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।


পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে সারাদেশে একযোগে অভিযান চালানো হয়। এর মধ্যে রাজনৈতিক সহিংসতা, নাশকতা, মাদক ও অস্ত্র সংক্রান্ত মামলায় অভিযুক্তদের পাশাপাশি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিরাও রয়েছেন।


এক সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।”


এছাড়া, অভিযান চলাকালে বিপুল পরিমাণ মাদক, দেশীয় অস্ত্র ও বিভিন্ন মামলার আলামত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।


পুলিশ জানায়, অভিযানে ঢাকাসহ সব বিভাগীয় ও জেলা শহরে গোয়েন্দা ও নিয়মিত পুলিশ একযোগে অংশ নেয়।


🔸 চলবে বিশেষ অভিযান

পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগাম দিনগুলোতেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।



দেশজুড়ে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ১,৫১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজনৈতিক সহিংসতা, মাদক ও নাশকতাসহ বিভিন্ন মামলায় এ গ্রেপ্তার অভিযান চলছে।



#দেশজুড়ে_অভিযান #গ্রেপ্তার #বাংলাদেশ_পুলিশ #LawAndOrder #BangladeshNews #পুলিশ_অভিযান #SecurityUpdate #BreakingNews 

মাত্র ২৩ দিনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হারালো পাঁচ শিক্ষার্থী স্টাফ রিপোর্টার | জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মাত্র ২৩ দিনের ব্যবধানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হারিয়েছে পাঁচজন শিক্ষার্থীকে।

 

ছবি সংগ্রহীত 
ছবিতে নিহত, হাসিবুর রহমান-সানজিদা ইসলাম-জোবায়েদ হোসাইন-আবুল কালাম

মাত্র ২৩ দিনের ব্যবধানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) হারিয়েছে পাঁচজন শিক্ষার্থীকে। এর মধ্যে তিনজন বর্তমান এবং দুজন সাবেক শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় পুরো বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।


নিহতরা হলেন- ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমান, ইতিহাস বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সানজিদা ইসলাম, পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসাইন, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের আবুল কালাম এবং হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ২০০৫-০৬ সেশনের মানজুরা আক্তার। মানজুরা আক্তারের সঙ্গে একই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে তার ১০ বছর বয়সী মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা।


ভূগোল বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমান গত ৩ অক্টোবর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। পুরান ঢাকার স্টার কাবাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে রাতের খাবার খাওয়ার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে দ্রুত ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি জবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।


সানজিদা ইসলাম, ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৮ অক্টোবর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। সহপাঠীদের মতে, তিনি বিভাগের অন্যতম মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনদিন জ্বরে ভোগার পর ডেঙ্গু শনাক্ত হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে।


জোবায়েদ হোসাইন, পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী, ১৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় টিউশন করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে নিহত হন। তিনি বর্ষা নামের এক ছাত্রীকে ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি ও বায়োলজি পড়াতেন।


তদন্তে জানা যায়, বর্ষা ও তার প্রেমিক মাহির রহমান পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করে। প্রায় ২৫ দিনের পরিকল্পনায় তারা ওই দিন বিকেলে হত্যাকাণ্ডটি ঘটায়। পুলিশ এরই মধ্যে এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। জোবায়েদ জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন।


মানজুরা আক্তার, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ২০০৫-০৬ সেশনের সাবেক শিক্ষার্থী, ২৪ অক্টোবর সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় নিহত হন। সকালে ইনাতনগর এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারানো সেঁজুতি ট্রাভেলসের বাসটি খাদে পড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি ও তার মেয়ে আয়েশা।


জানা যায়, তিনি বিসিআইসি-এর কর্মকর্তা ছিলেন এবং পরিবার নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণে যাচ্ছিলেন।


আবুল কালাম, ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০০৮-০৯ সেশনের সাবেক শিক্ষার্থী, ২৬ অক্টোবর রাজধানীর ফার্মগেটে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। দুপুরে মেট্রোরেল প্রকল্পের একটি পিলার থেকে ‘বিয়ারিং প্যাড’ (স্প্রিং) ছিটকে পড়ে তার মাথায় লাগে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। বিয়ারিং প্যাডটি পড়ে কাছের দোকানের কাঁচ ভেঙে দোকানদারও আহত হন।


মাত্র ২৩ দিনের ব্যবধানে এভাবে পাঁচজন শিক্ষার্থী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে হারিয়ে শোকে নিমজ্জিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে নির্ধারিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ এবং ক্যাম্পাসে করা আলোকসজ্জাও খুলে ফেলা হয়েছে সম্মা

নের নিদর্শন হিসেবে।

#জগন্নাথ_বিশ্ববিদ্যালয় #জবি #JnU #জবি_শিক্ষার্থী #বিশ্ববিদ্যালয়_খবর #বাংলাদেশ_সংবাদ #ক্যাম্পাস_নিউজ #JnUNews #জবি_শোক #EducationNews #BangladeshNews #banglaedition24


সুইমিংপুলে ছাত্রীর মৃ’ত্যু: বিক্ষোভে উত্তাল রাবি ক্যাম্পাস

ছবি সংগ্রহীত 

 📰 সুইমিংপুলে ছাত্রীর মৃ’ত্যু: বিক্ষোভে উত্তাল রাবি ক্যাম্পাস


নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সুইমিংপুলে সাঁতার কাটতে গিয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সায়মা হোসেনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।


ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন শিক্ষার্থীরা। তারা অভিযোগ করেন, এটি কোনো নিছক দুর্ঘটনা নয়; বরং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শারীরিক শিক্ষা বিভাগ ও মেডিকেল সেন্টারের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার ফলেই সায়মার মৃত্যু হয়েছে।


🔹 শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

শিক্ষার্থীরা জানান, দুর্ঘটনার পরপরই পর্যাপ্ত চিকিৎসা সহায়তা না পাওয়ায় সায়মাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি। তারা দাবি করেন, সুইমিংপুলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রশিক্ষিত লাইফগার্ড ছিল না। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে প্রয়োজনীয় জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামও ছিল না।


একজন শিক্ষার্থী বলেন,


> “আমাদের বন্ধু সায়মা সময়মতো চিকিৎসা পেলে হয়তো বাঁচানো যেত। প্রশাসনের অবহেলাই তার প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।”



🔹 প্রশাসনের দাবি

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. রোখসানা বেগম দাবি করেছেন, সায়মার মৃত্যু ‘হার্ট অ্যাটাকের’ কারণে হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে ঘটনাটিকে অবহেলার কারণে সংঘটিত মৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করেছেন।


🔹 বিক্ষোভে উত্তাল রাত

রাত ৯টার পর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই মৃত্যুর দায় প্রশাসন এড়াতে পারে না।”


শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি জানিয়েছেন—

১️⃣ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিচার,

২️⃣ সুইমিংপুলে আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রশিক্ষিত কর্মী নিয়োগ,

৩️⃣ মেডিকেল সেন্টারের জরুরি সেবা উন্নত করা।


🔹 উপাচার্যের প্রতিক্রিয়া


ঘটনার পর উপাচার্য প্রফেসর গোলাম সাব্বির সাত্তার জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং কারও গাফিলতি প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

📍 শেষ খবর পর্যন্ত, শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সায়মার মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন।

জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ, খালু গ্রেপ্তার

 






🟥 জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ, খালু গ্রেপ্তার


হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুরে জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে অচেতন করে ভাতিজিকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. জাবেদ মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৯। তিনি ভুক্তভোগী কিশোরীর খালু বলে জানিয়েছে র‍্যাব।


র‍্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার (২৫ অক্টোবর) রাত ৮টা ৫৫ মিনিটের দিকে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানাধীন নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নোয়াপাড়া বাজার এলাকায় র‍্যাব-৯, সিপিসি-৩ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে।


গ্রেপ্তারকৃত জাবেদ মিয়া হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার উত্তর সাংঘর গ্রামের মৃত ছত্তার মিয়ার ছেলে।


🔸 ঘটনার বিবরণ

মামলার বিবরণে জানা যায়, ভুক্তভোগী মাধবপুর থানার বাসিন্দা। পারিবারিক আত্মীয়তার সূত্রে খালু জাবেদ মিয়া তাদের বাড়িতে নিয়মিত আসা-যাওয়া করতেন।

গত ১৯ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি ভুক্তভোগীর বাড়িতে এসে জানান, সেদিন রাতে তিনি সেখানে অবস্থান করবেন। পরিবারের অনুমতিতে তাকে ভুক্তভোগীর পাশের কক্ষে থাকতে দেওয়া হয়।


রাতের খাবারের পর তিনি জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে ভুক্তভোগী ও তার বড় বোনকে খাওয়ান। কিছুক্ষণ পর তারা অচেতন হয়ে পড়েন। পরদিন সকাল ৭টার দিকে পাশের বাসার লোকজন ডাকাডাকি করলে বড় বোনের জ্ঞান ফিরে আসে। তখন দেখা যায়, ছোট বোন অচেতন অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছে।


জ্ঞান ফেরার পর ভুক্তভোগী জানান, জুস খাওয়ার পর তিনি কিছুটা অচেতন হয়ে পড়লে খালু জাবেদ মিয়া তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যান।


🔸 মামলা ও গ্রেপ্তার অভিযান

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৯(১) ধারায় মামলা (নম্বর ৩৪, তারিখ ২৫/১০/২০২৫) দায়ের করেন।


মামলা হওয়ার পর র‍্যাব-৯ এ ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নোয়াপাড়া বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় একমাত্র আসামি জাবেদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।


পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাকে মাধবপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


🔸 র‍্যাবের বক্তব্য

র‍্যাব-৯ জানিয়েছে, সমাজে নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধ প্রতিরোধে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।


হবিগঞ্জ ধর্ষণ, মাধবপুর খবর, র‍্যাব অভিযান, নারী নির্যাতন, কিশোরী ধর্ষণ, বাংলাদেশ ক্রাইম নি

উজ, Crime News BD, Breaking News BD


বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৫

পরপর কন্যা সন্তানের জন্মে ক্ষোভ! ৫ দিনের নবজাতককে খালে নিক্ষেপ করলেন নির্মম মা

ছবি সংগ্রহীত 

 সাতক্ষীরার কলারোয়ায় দুই কন্যার পর আবারও কন্যা শিশু জন্ম হওয়ায় পাঁচ দিনের নবজাতককে খালে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক মায়ের বিরুদ্ধে। পুলিশ অভিযুক্ত মা শারমিন আক্তারকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে।


সোমবার (২০ অক্টোবর) রাত পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সাইফুল ইসলাম।


তিনি জানান, সোমবার রাত ৮টার দিকে শিশুটির বাবা ইব্রাহিম খলিল (৪২) থানায় এসে নবজাতক নিখোঁজের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে চান। তবে তার বক্তব্য সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুর মা শারমিনের সঙ্গে কথা বলে।


জিজ্ঞাসাবাদে শারমিন আক্তার জানান, তাদের আগেই পাঁচ বছর ও দেড় বছরের দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে। পর পর কন্যা সন্তান জন্ম হওয়ায় তিনি ক্ষোভের বশে নবজাতক শিশুটিকে বাড়ির পাশের খালে ফেলে দেন।


পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ খালের কচুরিপনার ভেতর থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে। ওই অবস্থায় নবজাতককে হাসপাতলে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সাইফুল ইসলাম বলেন, মৃত শিশুর দাদি খাদিজা খাতুন বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর গ্রেপ্তার শারমিন আক্তারকে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। শিশুর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।


ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিঠুন সরকার, ডিবি ও পিবিআই কর্মকর্তাসহ স্থানীয় জনপ্র

তিনিধিরা।



হাসিনার মৃত্যুদণ্ডে অস্থির নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ

ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে হাসিনার মৃত্যুদণ্ডে অস্থির নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ লেখক: কৃষ্ণ এন. দাস ও সাম জাহান ১৮ নভেম্বর ২০২৫ সারসংক্ষেপ রায় ঘোষণ...