বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৫

পরপর কন্যা সন্তানের জন্মে ক্ষোভ! ৫ দিনের নবজাতককে খালে নিক্ষেপ করলেন নির্মম মা

ছবি সংগ্রহীত 

 সাতক্ষীরার কলারোয়ায় দুই কন্যার পর আবারও কন্যা শিশু জন্ম হওয়ায় পাঁচ দিনের নবজাতককে খালে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক মায়ের বিরুদ্ধে। পুলিশ অভিযুক্ত মা শারমিন আক্তারকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে।


সোমবার (২০ অক্টোবর) রাত পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সাইফুল ইসলাম।


তিনি জানান, সোমবার রাত ৮টার দিকে শিশুটির বাবা ইব্রাহিম খলিল (৪২) থানায় এসে নবজাতক নিখোঁজের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে চান। তবে তার বক্তব্য সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুর মা শারমিনের সঙ্গে কথা বলে।


জিজ্ঞাসাবাদে শারমিন আক্তার জানান, তাদের আগেই পাঁচ বছর ও দেড় বছরের দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে। পর পর কন্যা সন্তান জন্ম হওয়ায় তিনি ক্ষোভের বশে নবজাতক শিশুটিকে বাড়ির পাশের খালে ফেলে দেন।


পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ খালের কচুরিপনার ভেতর থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে। ওই অবস্থায় নবজাতককে হাসপাতলে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সাইফুল ইসলাম বলেন, মৃত শিশুর দাদি খাদিজা খাতুন বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর গ্রেপ্তার শারমিন আক্তারকে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। শিশুর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।


ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিঠুন সরকার, ডিবি ও পিবিআই কর্মকর্তাসহ স্থানীয় জনপ্র

তিনিধিরা।



মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫

সালমান শাহ হত্যা মামলা: ২৯ বছর পর নতুন মোড়, স্ত্রী সামিরা-খলনায়ক ডনসহ অভিযুক্ত ১১ জন

ছবি সংগ্রহীত 

 

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহর রহস্যজনক মৃত্যুর ২৯ বছর পর অবশেষে অপমৃত্যু মামলা রূপ নিল হত্যা মামলায়—প্রধান আসামি স্ত্রী সামিরা হক।





বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহর মৃত্যু নিয়ে নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে। মৃত্যুর ২৯ বছর পর তার অপমৃত্যু মামলা এবার হত্যা মামলা হিসেবে রূপ নিচ্ছে।


মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রমনা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি মো. মাজহারুল ইসলাম)। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশে অপমৃত্যু মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, এবং ঘটনাটির বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে।


এর আগে সোমবার (২০ অক্টোবর) মধ্যরাতে রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহের মামা আলমগীর কুমকুম।

এজাহারে সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা হককে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন —

ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, এবং চলচ্চিত্রের খলনায়ক ডনসহ মোট ১১ জন। আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তির নামও যুক্ত হয়েছে মামলায়।


ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক সালমান শাহ হত্যা মামলার পুনঃতদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আদালত সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীর রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি চালুর নির্দেশ দেন।


বাদীপক্ষের আইনজীবী ও পরিবার জানায়, তারা দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করে আসছেন। যদিও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ২০১৯ সালের প্রতিবেদনে ‘আত্মহত্যা’ হিসেবে মত দেয়, তবুও সালমান শাহের পরিবার ও ভক্তরা সেই প্রতিবেদন মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়।


মামা আলমগীর কুমকুম বলেন,


> “সালমান শাহর বাবা একজন ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। তিনি অপমৃত্যুকে হত্যা মামলায় রূপান্তর করার চেষ্টা করেছেন সারাজীবন। এখন ২৯ বছর পর সেটি সম্ভব হয়েছে। ইনশাআল্লাহ প্রমাণ হবে এটা হত্যা।”




১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমান শাহের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেই থেকে তার মৃত্যু ঘিরে রহস্য, গুজব, ও বিতর্কের জন্ম হয় যা আজও শেষ হয়নি।


এখন প্রশ্ন—প্রায় তিন দশক পর এই হত্যা মামলা কি নতুন করে সেই রহস্য উন্মোচন করবে?

পুরো দেশ আজ তাকিয়ে আছে সেই উত্তরের দিকে।



#SalmanShah #SalmanShahMurderCase #BanglaCinema #SamiraHaque #AzizMohammadBhai #DhakaNews #BangladeshEntertainmentNews #সালমান_শাহ #বাংলা_চলচ্চিত্র #BreakingNews #Entertainment #banglaedition24

সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫

আলোচিত ‘বাংলা পর্নো তারকা’ দম্পতি অবশেষে গ্রেফতার! বান্দরবানে সিআইডির গোপন অভিযান

ছবি সংগ্রহীত 

 🔴 ‘বাংলা পর্নো তারকা’ দম্পতি অবশেষে গ্রেফতার! বান্দরবানে সিআইডির গোপন অভিযান



বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।


জানা গেছে, তারা বাংলাদেশে বসেই অশ্লীল ভিডিও ধারণ, সম্পাদনা ও আপলোড করতেন এবং এর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করছিলেন। সম্প্রতি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বান্দরবান এলাকায় আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় সোমবার (২০ অক্টোবর) সিআইডির একটি দল তাদের গ্রেফতার করে।


সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটের সঙ্গে তাদের সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। বিস্তারিত তদন্তের পর আরও তথ্য জানানো হবে।”


অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত এই দম্পতি কেবল নিজেরাই অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি করছিলেন না, বরং অন্যদেরও এই কার্যক্রমে যুক্ত হতে উৎসাহিত করতেন। ফলে দেশে বসেই একটি পর্নো ভিডিও প্রযোজনা ও প্রচারের নেটওয়ার্ক গড়ে উঠছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


উল্লেখ্য, বাংলাদেশের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ অনুযায়ী পর্নোগ্রাফি উৎপাদন ও বিতরণ একটি ফৌজদারি অপরাধ।


সম্প্রতি ঢাকাভিত্তিক অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম দ্য ডিসেন্ট এই যুগলের কর্মকাণ্ড প্রকাশ করলে বিষয়টি জনসমক্ষে আসে এবং সিআইডি তৎপরতা শুরু করে।


#CID #CrimeNews #Bangladesh #PornographyAct #BreakingNews

#banglaedution24 #banglaedition247 


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা: প্রেমঘটিত ঘটনায় অভিযুক্ত মাহির গ্রেপ্তার

ছবি সংগ্রহীত 

 জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হ’ত্যা’র ঘটনায় ছাত্রীর বয়ফ্রেন্ড গ্রে’প্তা’র


🔴 জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা: প্রেমঘটিত ঘটনায় অভিযুক্ত মাহির গ্রেপ্তার


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসেন হত্যা মামলায় অভিযুক্ত মাহির রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানোর পর সোমবার (২০ অক্টোবর) ভোরে মাহিরের মা তাকে বংশাল থানায় নিয়ে সোপর্দ করেন। বিষয়টি দুপুরে নিশ্চিত করেছেন মাহিরের পরিবার ও পুলিশ।


এর আগে রবিবার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটের দিকে পুরান ঢাকায় টিউশনিতে যাওয়ার পথে ছুরিকাঘাতে খুন হন জোবায়েদ হোসেন। বাসার নিচতলা থেকে তৃতীয় তলা পর্যন্ত সিঁড়িতে রক্তের দাগ পাওয়া যায়, এবং তৃতীয় তলার সিঁড়িতে পড়ে থাকতে দেখা যায় তার মরদেহ। রাত ১০টা ৫০ মিনিটে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়।


প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ বলছে, প্রেমঘটিত কারণেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। অভিযুক্ত ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা জানিয়েছেন, তার ও মাহির রহমানের ৯ বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল, যা সম্প্রতি ভেঙে যায়। বর্ষা মাহিরকে জানায় যে সে জোবায়েদকে পছন্দ করে। এতে রাগে ও ক্ষোভে মাহির তার এক বন্ধুকে নিয়ে জোবায়েদকে খুন করে।


বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন,


> “বর্ষা ও মাহিরের সম্পর্ক ছোটবেলা থেকে। চতুর্থ শ্রেণি থেকেই তারা একে অপরকে পছন্দ করত। কিন্তু সম্প্রতি বর্ষার অন্য একজনকে পছন্দ করার কথা জানালে মাহির রেগে গিয়ে জোবায়েদকে হত্যা করে।”




ওসি আরও জানান, জোবায়েদ ও বর্ষার মধ্যে কোনো সরাসরি প্রেমের সম্পর্ক ছিল না, এমনকি তাদের মধ্যে মেসেজ আদান-প্রদানেরও প্রমাণ মেলেনি। তবে জোবায়েদের বন্ধু সৈকতের সঙ্গে বর্ষার ফেসবুকে পরিচয় ছিল।


পুলিশ জানায়, বর্ষাকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় শান্ত ও স্বাভাবিক দেখা গেছে, কোনো হতাশা বা অপরাধবোধের লক্ষণ পাওয়া যায়নি। ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে চিহ্নিত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


📍 ঘটনার সময়: রবিবার, ১৯ অক্টোবর

📍 স্থান: পুরান ঢাকা, বংশাল থানা এলাকা

📍 হতাহত: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসেন (নিহত)

📍 আসামি: মাহির রহমান (গ্রেপ্তার), বার্জিস শাবনাম বর্ষা (জিজ্ঞাসাবাদাধীন)


#জবি_হত্যা #JagannathUniversity #ZobayedMurder #DhakaCrime #Stude

ntPolitics #BangladeshNews


শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫

স্বৈরাচারের দোসরদের খুঁজে শাস্তি দিন, আগুন বিচ্ছিন্ন নয়—চক্রান্তের অংশ:

স্বৈরাচারের দোসরদের খুঁজে শাস্তি দিন, আগুন বিচ্ছিন্ন নয়—চক্রান্তের অংশ: নাগরিকদের দাবি

 স্বৈরাচারের দোসরদের খুঁজে বের করে উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনতে না পারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অন্যতম বড় ব্যর্থতা। যার ফল বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদে ভোগ করতে হবে। 


বিভিন্ন জায়গায় আগুন লাগাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখিনা। এগুলো স্বৈরাচারের দোসরদের দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্তের অংশ। তথাকথিত তদন্ত কমিটির নাটক বাদ দিয়ে এর পিছনের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করা হোক। 

✍️সার্জিদ আলমের ফেসবুক পোস্ট



হাসিনার মৃত্যুদণ্ডে অস্থির নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ

ছবি সংগ্রহ করা হয়েছে হাসিনার মৃত্যুদণ্ডে অস্থির নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ লেখক: কৃষ্ণ এন. দাস ও সাম জাহান ১৮ নভেম্বর ২০২৫ সারসংক্ষেপ রায় ঘোষণ...